এইচআইভি বোঝার উপায়

এইচআইভি বোঝার উপায়

এইচআইভি রোগটির নাম শুনলেই আমরা ভয় পেয়ে যাই। জীবন-মরণ সমস্যা তো বটেই, তার উপর রয়েছে নানা সামাজিক অন্ধবিশ্বাস। এইচআইভির একটি কারণ অনিয়ন্ত্রিত যৌন সম্পর্ক। কিন্তু আরো অনেক কারণ রয়েছে এর সংক্রমণের।

এইচআইভি এমন এক সংক্রমণ যা শরীরে বাড়তে থাকে এবং ধীরে ধীরে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়। শরীরে কখন এই ভাইরাস জন্ম নেয় তা বলা কঠিন। এমনকি উপসর্গগুলোও চিহ্নিত করা যায় না সহজে।

চিকিৎসকরা বলছেন বেশির ভাগ রোগী নিজের অজ্ঞতার কারণে এই রোগকে খারাপ পর্যায়ে নিয়ে যান। অথচ প্রাথমিক ভাবে ধরা পড়লে এইচআইভি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

যদিও এইচআইভির লক্ষণগুলো ব্যক্তি ভেদে আলাদা তবুও এই রোগের সংক্রমণের দুই-তিন মাসের মধ্যে কিছু প্রাথমিক লক্ষণ ধরা পড়ে।

এইচআইভিতে আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষ প্রাথমিক ভাবে জ্বরে আক্রান্ত হন। প্রথম প্রথম এই জ্বর প্রায় চার সপ্তাহ ধরে থাকে।

এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির অনেক সময় অনিয়ন্ত্রিত ঘাম হয়। অল্প গরমেই জামা-কাপড় ভিজে যেতে পারে। এমনকি ঘুমের মধ্যেও অস্বাভাবিক ঘাম হয়।

এইচআইভি সংক্রমণের প্রথম বড় লক্ষণ হলো গলায় ব্যথা। এইচআইভি সংক্রমণ হলে শুরুতে গলায় অস্বাভাবিক ব্যথা হয়। রোগীর ঢোক গিলতে বা কোনো খাবার খেতে কষ্ট হয়। এমনকি পানি খেতেও অসুবিধা হয়।

ক্রোয়েশিয়ার সংস্থা অ্যাক্টা ডার্মাটোভেনরল-এর জরিপে দেখা গিয়েছে, প্রায় ৮৮ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে প্রথম তিন সপ্তাহের মধ্যেই গলায়, মাথায় র‍্যাশ দেখা দেয়। তীব্র প্রদাহ হতে শুরু করে চাকা চাকা হয়ে ফুলে থাকা জায়গাগুলো।

এইচআইভি সংক্রমণ শুরু হলে প্রথম দিকে অনেকের বমি ভাব হয়। শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা যত কমতে থাকে ততই বাড়তে থাকে বমি ভাব।