• মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
সংবাদ শিরোনাম
এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু: ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ১৪০ কিস্তিতে ৩৫ বছরে পদ্মা সেতুর ঋণ শোধ হবে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা শনাক্ত পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খোলা সেই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা সিআইডির ধারণা ; পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু শুধু হাত দিয়ে খোলা হয়নি শাসন করায় শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা করলো ছাত্র করোনার চতুর্থ ঢেউ চলছে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই যুবক নিহত উদ্বোধনের আগেই দেবে গেলো নওগাঁ-রাণীনগর-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়ক পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খোলা সেই টিকটকার সিআইডির হাতে আটক খোলা সয়াবিন লিটারে কমল ৫ টাকা, বোতলে ৬ টাকা একদিনে করোনায় ২ জনের মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত তারেক-জোবায়দার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা চলবে: হাইকোর্ট দেশের বাজারে শিগগিরই ভোজ্যতেলের দাম কমবে

আত্মসমর্পণের পর ডেসটিনির এমডি রফিকুলের স্ত্রী কারাগারে

প্রজন্মের আলো / ১৫ শেয়ার
Update : রবিবার, ১২ জুন, ২০২২

অনলাইন ডেস্ক:

গ্রাহকদের চার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীনের স্ত্রী ফারাহ দিবাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

রোববার পলাতক দিবা ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ শেখ নাজমুল আলমের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম জানান, শুনানি শেষে বিচারক তা নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ফারাহ দিবার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহীনুল ইসলাম অনি।

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের দায়ে গত ১২ মে ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনসহ ৪৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছিল আদালত। এ ছাড়া আসামিদের ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।

রায়ে রফিকুল আমীনকে ১২ বছরের কারাদণ্ড ও ২০০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। আর তার স্ত্রী ফারাহ দিবাকে আট বছরের সাজা, ৪০ কোটি টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছর কারাদণ্ড দেন বিচারক।

মামলায় ৪৬ আসামির মধ্যে ফারাহসহ ৩৯ আসামি পলাতক ছিলেন। রায় অনুযায়ী, পলাতক আসামিরা গ্রেপ্তার হলে বা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে, তার পর থেকে তাদের সাজার মেয়াদ হিসাব করা হবে।

দশ বছর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এ মামলায় ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো অপারেটিভ সোসাইটির প্রায় ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছিল এ মামলায়।

তাতে অভিযুক্ত ৪৬ আসামির সবাইকে দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় দেন।

এক হাজার পৃষ্ঠার রায়ে বলা হয়, ডেসটিনির যেসব সম্পত্তি ও ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা ইতোমধ্যে অবরুদ্ধ করা হয়েছে, সেগুলো রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হল।

আসামিদের কাছ থেকে আদায় করা জরিমানার টাকা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৫ (বি) ধারা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ বাবদ ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের সকল শেয়ারহোল্ডার এবং বিনিয়োগকারীদের সমান হারে ভাগ করে দিতে হবে। সেজন্য সরকারকে একটি কমিটি গঠন করে দেয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে রায়ে।

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি ও ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের নামে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রফিকুলসহ ডেসটিনির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আলাদা দুটি মামলা হয়।

দুই মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৫৩। রফিকুলসহ ১২ জনের নাম রয়েছে দুটি মামলাতেই। আসামিদের মধ্যে আগে থেকেই কারাগারে আছেন মোহাম্মদ হোসেন ও রফিকুল।

মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় দণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন মোহাম্মদ গোফরানুল হক, মোহাম্মদ সাঈদ-উর-রহমান, মেজবাহ উদ্দিন, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ, ফারাহ দিবা, জামসেদ আরা চৌধুরী, শেখ তৈয়েবুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, আজাদ রহমান, আকবর হোসেন, মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, সাইদুল ইসলাম খান, সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মজিবুর রহমান, দিদারুল আলম, এম হায়দার উজ্জামান, জয়নাল আবেদীন, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, শফিউল ইসলাম, জিয়াউল হক মোল্লা, সিকদার কবিরুল ইসলাম, ফিরোজ আলম, ওমর ফারুক, সুনীল বরণ কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান, সাকিবুজ্জামান, এস এম আহসানুল কবির, এ এইচ এম আতাউর রহমান, জি এম গোলাম কিবরিয়া, আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমদ, এ কে এম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, দেলোয়ার হোসেন, জেসমিন আক্তার ও শফিকুল হক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ

Categories