• বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
সংবাদ শিরোনাম
অল্পের জন্য হেরে গেলেন হিরো আলম বইমেলা উদ্বোধন করতে বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ ৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকা বিদ্যুৎ খাতে সরকারের লুটপাট, মাশুল দিচ্ছে জনগণ জাপানকে বিএনপির গোপন চিঠি: সংসদে ফাঁস করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রথম শ্রেণির ২৫ কর্মকর্তাসহ ৬৯ জনকে শাস্তি দিলো ইসি শিক্ষা নিয়ে ব্যবসার মানসিকতা পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ কোচের দায়িত্বে আবারও হাথুরু সিংহে ঢাকা বাণিজ্য মেলায় ৩শ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ প্রতিকার চেয়ে প্রেস কাউন্সিলে ওয়াসার এমডি রেলের ২৮১৭ একর জমি বেদখলে একাদশে ভর্তির আবেদনের সময় বাড়ল ৩০ এপ্রিল থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু গণশুনানি লাগবে না, প্রজ্ঞাপনেই জ্বালানির দাম বাড়াতে পারবে সরকার আ.লীগ পিছু হটে না: প্রধানমন্ত্রী

নওগাঁয় মালচিং পদ্ধতিতে রঙিন তরমুজের বাম্পার ফলনে খুশি যুবক

প্রজন্মের আলো / ১৮ শেয়ার
Update : রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২

সংবাদদাতা:

মালচিং পদ্ধতিতে রঙিন তরমুজ চাষ করে সফল নওগাঁর ধামইরহাটের কৃষক বাবুল হোসেন। বাজারে রঙিন তরমুজের বেশ চাহিদা রয়েছে। কৃষকরা বাম্পার ফলনের পাশাপাশি ভালো বাজারদরে খুশি। কৃষক বাবুলের তরমুজ চাষে সফল হতে দেখে অনেকেই রঙিন তরমুজ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

জানা যায়, কৃষক বাবুল হোসেন নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি ১৭ শতাংশ জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে ব্ল্যাক বেরি, ব্ল্যাক কিং, ইয়েলো বার্ড ও তৃপ্তি জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। তার প্রতিটি মাচায় শোভা পাচ্ছে নানা রঙের তরমুজ। পাইকাররা জমিতে এসে তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। আশেপাশের অনেকেই তার তরমুজ বাগানটি দেখতে আসেন।

কৃষক বাবুল বলেন, জয়পুরহাটে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে তাদের বাগানে মাচায় হলুদ ও কালো রঙের তরমুজ দেখতে পাই। তারপর তাদের থেকে বীজ সংগ্রহ করে রোপন করি। তরমুজ চাষে বাঁশ, সুতা ও লেবারসহ ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে দুইবার তরমুজ বিক্রি করেছি। বাশঁ, মাচা ও সুতা অক্ষত থাকলে দ্বিতীয়বার চাষে ৮-১০ হাজারের বেশি খরচ হয় না। ১ থেকে দেড় লাখ টাকা লাভ করা সম্ভব। আরেকজন তরমুজ চাষি আব্দুর রহমান বলেন, আমি চাচা বাবুল হোসেনের সফলতা দেখে তরমুজ চাষ করেছি। বাড়ির পাশে স্বল্প পরিসরে একটি বাগান করে লাভবান হয়েছি। বাজারে এই তরমুজের ভালো চাহিদা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এই উপজেলার মাটি রঙিন তরমুজ চাষের জন্য খুব উপযোগী। চাষের আগে প্রয়োজনীয় সার ও গোবর দিয়ে জমি তৈরী করে নিতে হয়। তারপর বাঁশ দিয়ে মাচা করে তরমুজ চাষ করতে হয়।প্রতি মাচায় গাছের ডালে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০টি তরমুজ ধরে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

Categories