• শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
সংবাদ শিরোনাম
করোনায় একদিনে মৃত্যু ৩, শনাক্ত ২৬১ বাসচাপায় বাবা-ছেলেসহ ঝরল ৩ প্রাণ আমিনবাজারে ছয় ছাত্রকে হত্যা: ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত পরিস্থিতি খারাপ হলে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ শাহজালালে সেই বিমানে বোমা পাওয়া যায়নি পরীক্ষা সম্পর্কে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ভুল: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, জরুরি অবতরণে প্রাণ বাঁচলো ৪২ যাত্রীর বোমা আতঙ্কে শাহজালালে মালয়েশিয়ান ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ শিক্ষায় বড় একটা পরিবর্তন আনতেই হবে করোনায় আরও ২ জনের মৃত্যু গাড়ি ভাঙচুর না করে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসীদের দেশে প্রবেশে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনসহ নতুন নির্দেশনা জেএসসির সনদের ফরম পূরণ শুরু ১১ ডিসেম্বর

নওগাঁয় বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগ

প্রজন্মের আলো / ৬ শেয়ার
Update : মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২১

প্রজন্মের আলো ডেস্ক:

নওগাঁর হাসপাতালে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। বয়স্ক ও শিশুরা সর্দি, জ্বর, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আসছেন চিকিৎসা নিতে। এতে ২৫০ শয্যার নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে প্রতিদিন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মেডিসিন নারী ওয়ার্ডের ২৬ বেডের জায়গায় ভর্তি আছেন ৩১ রোগী। মেডিসিন পুরুষ ওয়ার্ডের ২৭ বেডে ভর্তি আছেন ২২ রোগী। এর মধ্যে শনিবার সকালে ভর্তি হয়েছেন আটজন। গাইনি ওয়ার্ডে প্রতিদিন ২৫-৩০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। এখানে বেড সংখ্যা ১৫টি। বর্তমানে রোগী ভর্তি আছেন ১৭ জন।

অপরদিকে শিশু ওয়ার্ডে ১৫টি বেড থাকলেও ১৫-১৯ নভেম্বর পর্যন্ত ৮৯ জন শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে। গড়ে প্রতিদিন ১৮-২০ জন শিশু ভর্তি হচ্ছে ঠান্ডাজনিত রোগ নিয়ে। হাসপাতালে বেড না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছে রোগীরা। রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নার্সরা।

সদর উপজেলার ইকড়তাড়া গ্রামের গৃহবধূ সখিনা বিবি বলেন, দেড় মাস বয়সী মেয়েকে নিয়ে এসেছি। তার নিউমোনিয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি। এখন বাচ্চা অনেকটা ভালো আছে। হাসপাতাল থেকে ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। তবে বেড পাইনি।

মহাদেবপুর উপজেলার বক চত্বর এলাকার বাসিন্দা কমেলা বিবি বলেন, হঠাৎ করেই আমার চার মাস বয়সী বাচ্চাটির কাশি শুরু হয়। এরপর থেমে থেমে বমি ও জ্বর আসে। শুক্রবার রাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বেড না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

শিশু ওয়ার্ডের ইনচার্জ মৌসুমি আক্তার বলেন, শিশু ওয়ার্ডে বেড সংখ্যা ১৫ টি। গত ১৫-১৯ নভেম্বর পর্যন্ত ৮৯ জন শিশু রোগী ভতি হয়েছে। রোগীর তুলনায় বেড সংখ্যা কম থাকায় মেঝেতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

গাইনি ওয়ার্ডের ইনচার্জ শিরিনা আক্তার বলেন, গাইনি ওয়ার্ডে প্রতিদিন ২৫-৩০ জন ভর্তি হচ্ছে। আগের তুলনায় রোগী বাড়ছে। নার্স সংখ্যা কম হওয়ায় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

নওগাঁ জেনারেল হাসপতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. আনসার আলী বলেন, ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো আছে। এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণ ওষুধ মজুত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১,৫৭৬,৫৬৬
সুস্থ
১,৫৪১,৩৪৮
মৃত্যু
২৭,৯৮৩
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
২৬৩,১৩০,৯১৫
সুস্থ
মৃত্যু
৫,২২০,৯৩৪

Categories