• বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
সংবাদ শিরোনাম
অল্পের জন্য হেরে গেলেন হিরো আলম বইমেলা উদ্বোধন করতে বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ ৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকা বিদ্যুৎ খাতে সরকারের লুটপাট, মাশুল দিচ্ছে জনগণ জাপানকে বিএনপির গোপন চিঠি: সংসদে ফাঁস করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রথম শ্রেণির ২৫ কর্মকর্তাসহ ৬৯ জনকে শাস্তি দিলো ইসি শিক্ষা নিয়ে ব্যবসার মানসিকতা পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ কোচের দায়িত্বে আবারও হাথুরু সিংহে ঢাকা বাণিজ্য মেলায় ৩শ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ প্রতিকার চেয়ে প্রেস কাউন্সিলে ওয়াসার এমডি রেলের ২৮১৭ একর জমি বেদখলে একাদশে ভর্তির আবেদনের সময় বাড়ল ৩০ এপ্রিল থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু গণশুনানি লাগবে না, প্রজ্ঞাপনেই জ্বালানির দাম বাড়াতে পারবে সরকার আ.লীগ পিছু হটে না: প্রধানমন্ত্রী

পরবর্তী লক্ষ্য ক্যাশলেস সোসাইটি: সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রজন্মের আলো / ২২ শেয়ার
Update : বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২২
ছবি সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক:

আমাদের পরবর্তী পরিকল্পনা হলো একটি ক্যাশলেস সমাজ গড়ে তোলা, যার জন্য ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার আইসিটিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

বুধবার (১৬ নভেম্বর) ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি।

পোস্টের সঙ্গে নিজের বক্তব্য রাখার একটি ভিডিও যুক্ত করেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ইন্টারঅপারেবল ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম ‘বিনিময়’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ডিজিটাল বাংলাদেশের জার্নির ওপর কিছু ঘটনা উল্লেখ করেছিলাম। আজকে সেই বক্তব্যটি শেয়ার করবো আপনাদের সঙ্গে। ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন আমাদের নিজেদের, হয়তো কিছু কিছু প্রোজেক্ট বাস্তবায়নে বিদেশি কোম্পানি কাজ করেছে, কিন্তু পুরো পরিকল্পনা, ডিজাইন হয়েছে বাংলাদেশের নিজস্ব সক্ষমতায়।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মার্কেটের চাহিদা অনুযায়ী সব আইটি সেবা বা সফটওয়্যার এখন আর বিদেশি কোম্পানির থেকে নিতে হয় না, দেশি বিভিন্ন কোম্পানির একঝাঁক মেধাবী তরুণের সফটওয়্যারেই বাংলাদেশের অধিকাংশ আইটি সার্ভিস পাওয়া যায়, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। আমাদের দেশের তৈরি সফটওয়্যারে এখন কাজ করছে অনেক বিদেশি কোম্পানিও।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আমাদের পরবর্তী পরিকল্পনা হলো-একটি ক্যাশলেস সোসাইটি গড়ে তোলা, যার জন্য ইতোমধ্যে আমাদের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ২-৩ বছরেই হয়তো সব সরকারি সেবাও ডিজিটাইজড হয়ে যাবে।ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কৃতিত্ব বাংলাদেশের সরকার, প্রতিটি আইটি কোম্পানি ও সর্বোপরি বাংলাদেশের জনগণের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

Categories