• বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
সংবাদ শিরোনাম
অল্পের জন্য হেরে গেলেন হিরো আলম বইমেলা উদ্বোধন করতে বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ ৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকা বিদ্যুৎ খাতে সরকারের লুটপাট, মাশুল দিচ্ছে জনগণ জাপানকে বিএনপির গোপন চিঠি: সংসদে ফাঁস করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রথম শ্রেণির ২৫ কর্মকর্তাসহ ৬৯ জনকে শাস্তি দিলো ইসি শিক্ষা নিয়ে ব্যবসার মানসিকতা পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ কোচের দায়িত্বে আবারও হাথুরু সিংহে ঢাকা বাণিজ্য মেলায় ৩শ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ প্রতিকার চেয়ে প্রেস কাউন্সিলে ওয়াসার এমডি রেলের ২৮১৭ একর জমি বেদখলে একাদশে ভর্তির আবেদনের সময় বাড়ল ৩০ এপ্রিল থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু গণশুনানি লাগবে না, প্রজ্ঞাপনেই জ্বালানির দাম বাড়াতে পারবে সরকার আ.লীগ পিছু হটে না: প্রধানমন্ত্রী

পাঠ্যবইয়ে হুবহু অনুবাদ: দায় স্বীকার করে জাফর ইকবাল-হাসিনা খানের

প্রজন্মের আলো / ৬ শেয়ার
Update : বুধবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৩
অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও অধ্যাপক ড. হাসিনা খান। ফাইল ছবি

 

অনলাইন ডেস্ক:

চলতি বছরের নতুন শিক্ষাক্রমে সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান ‘অনুসন্ধানী পাঠ’ বইয়ের একটি অংশে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক অ্যাডুকেশনাল সাইট থেকে নিয়ে হুবহু অনুবাদ করে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার দায় স্বীকার করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন বইটির রচনা ও সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও অধ্যাপক ড. হাসিনা খান।

মঙ্গলবার যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সারাদেশে ২০২৩ সালে চালু হওয়া নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তক ছাপা হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। ১৫ জানুয়ারি একটি দৈনিকে মতামত কলামে সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান ‘অনুসন্ধানী পাঠ’ বইটির ব্যাপারে একটি অভিযোগ তাদের নজরে এসেছে।

বিবৃতিতে তারা বলেন, একই পাঠ্যপুস্তক রচনার সঙ্গে অনেকে জড়িত থাকেন, যাদের শ্রম ও নিষ্ঠার ফলাফল হিসেবে বইটি প্রকাশিত হয়। বিশেষত, জাতীয় পাঠ্যপুস্তক রচনার ক্ষেত্রে এসব লেখকের কাছ থেকেই এক ধরনের দায়িত্বশীলতা আশা করা হয়। সেখানে কোনো একজন লেখকের লেখা নিয়ে এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তা আমাদের টিমের জন্য হতাশার এবং মন খারাপের কারণ হয়। ওই অধ্যায়ের আলোচিত অংশটুকু লেখার দায়িত্বে আমরা দুজন না থাকলেও সম্পাদক হিসেবে এর দায় আমাদের ওপরও বর্তায়, সেটি আমরা স্বীকার করে নিচ্ছি। অবশ্যই পরবর্তী সংস্করণে বইটির প্রয়োজনীয় পরিমার্জন করা হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এ বছর বইটির পরীক্ষামূলক সংস্করণ চালু হয়েছে এবং আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এতে যথেষ্ট পরিমার্জন ও সম্পাদনার সুযোগ রয়েছে। কাজেই উল্লিখিত অভিযোগের বাইরেও যে কোনো যৌক্তিক মতামতকে যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হবে এবং সে অনুযায়ী পাঠ্যবইয়ের প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বা পরিমার্জন করা হবে।

সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান ‘অনুসন্ধানী পাঠ’ বইটি রচনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ড. হাসিনা খান, ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান খান, ড. মুশতাক ইবনে আয়ূব ও রনি বসাক। সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

Categories