• বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
সংবাদ শিরোনাম
কানাডায় স্থায়ী হতে আসা বাংলাদেশিদের চাকরি না পাওয়ার হতাশা ভূমধ্যসাগরে নৌযানে অগ্নিকাণ্ডে মাদারীপুরের ৫ জনের মৃত্যু বাঙালির গৌরবের অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আজ আর্থিক ও অবসর সুবিধা নির্দিষ্ট সময়ে প্রদানের রিটের রায় বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের সব পরীক্ষার্থী ভুয়া, সচিবসহ ৫৮ জন আটক এলাকার উন্নয়নে প্রত্যেক সংসদ সদস্যরা পাবেন ২০ কোটি টাকা “আইন মেনে গ্রামীণের প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়েছে” অস্তিত্বের জন্য বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি সীমাবদ্ধ রাখতে হবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর! আরও বড় হচ্ছে মন্ত্রিসভা: আলোচনায় যারা কারা পাচ্ছেন আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন রমজানের পুরো মাস ছুটি থাকবে মাদ্রাসা রোজার শুরুতে চলবে স্কুল-কলেজের ক্লাস ড. ইউনূসের নির্দেশে ২৫ কোটি টাকা দেওয়া হয় সিবিএ নেতাদের চাঁদ দেখা গেছে, শবে বরাত ২৫ ফেব্রুয়ারি

পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত নয়াপল্টন

প্রজন্মের আলো / ৪২ শেয়ার
Update বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২২

অনলাইন ডেস্ক:

রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন রক্তাক্ত হয়েছেন। বুধবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়।

নয়াপল্টনে সকাল থেকেই বিএনপির নেতা-কর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। এক পর্যায়ে জমায়েত বড় হয়ে রাস্তার এক পাশ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়।

policeসংগৃহীত ছবি

দুপুর ৩টা ১০ মিনিটে বিএনপি নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, টিয়ারসেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করতে থাকে। মুহূর্তেই বিএনপি নেতাকর্মীরা চারদিকে ছোটাছুটি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে বিএনপি কর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।

পরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে বিএনপির নেতা-কর্মীরা দফায় দফায় মিছিল করেন। সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেন।

এদিকে, নিয়াজ মাহমুদ ও আমিনুল ইসলাম নামে দুইজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংঘর্ষে আহত হয়েছেন গণমাধ্যমের কয়েকজন সাংবাদিক। দৈনিক ইত্তেফাকের ফটো সাংবাদিক শামসুল আলম বাদশাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার কপালে ৫টি সেলাই দেয়া হয়েছে।

police-bnpসংগৃহীত ছবিবিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ বানচাল করতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থানরত নিরীহ নেতা-কর্মীদের ওপর ন্যাক্কারজনকভাবে গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। এতে বহু নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। যত হামলা করা হোক আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়া পল্টনে বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ হবে।

ডিএমপির মতিঝিল জোনের ডিসি হায়াতুল ইসলাম খান গণমাধ্যমকে বলেন, বিএনপির সমাবেশের স্থান নির্ধারণ করা হয়নি। কিন্তু তারা রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। বারবার অনুরোধ করার পরও তারা কথা শোনেনি। পুলিশ তাদের তুলে দিতে গেলে সংঘর্ষ বেধে যায়।

প্রসঙ্গত, পছন্দের জায়গা না দিলে নয়াপল্টনেই বিএনপি গণসমাবেশ করবে বলে জানিয়েছে বিএনপি। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে এ সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

Categories