• বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
সংবাদ শিরোনাম
অল্পের জন্য হেরে গেলেন হিরো আলম বইমেলা উদ্বোধন করতে বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ ৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকা বিদ্যুৎ খাতে সরকারের লুটপাট, মাশুল দিচ্ছে জনগণ জাপানকে বিএনপির গোপন চিঠি: সংসদে ফাঁস করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রথম শ্রেণির ২৫ কর্মকর্তাসহ ৬৯ জনকে শাস্তি দিলো ইসি শিক্ষা নিয়ে ব্যবসার মানসিকতা পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ কোচের দায়িত্বে আবারও হাথুরু সিংহে ঢাকা বাণিজ্য মেলায় ৩শ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ প্রতিকার চেয়ে প্রেস কাউন্সিলে ওয়াসার এমডি রেলের ২৮১৭ একর জমি বেদখলে একাদশে ভর্তির আবেদনের সময় বাড়ল ৩০ এপ্রিল থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু গণশুনানি লাগবে না, প্রজ্ঞাপনেই জ্বালানির দাম বাড়াতে পারবে সরকার আ.লীগ পিছু হটে না: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব এইডস দিবস আজ

প্রজন্মের আলো / ১৭ শেয়ার
Update : বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২২
প্রতিকী ছবি

অনলাইন ডেস্ক:

জাতিসংঘ শিশু বিষয়ক তহবিল ইউনিসেফের নতুন এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত তিন বছরে শিশু, কিশোর-কিশোরী ও গর্ভবতী নারীদের মধ্যে ঘাতক ব্যাধি এইডস প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। গত মঙ্গলবার ইউনিসেফ এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে এই অবস্থাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে আজ সারাবিশ্বে এইডস দিবস পালিত হচ্ছে।

ইউনিসেফের শিশু, এইচআইভি ও এইডস সংক্রান্ত সর্বশেষ বৈশ্বিক স্ন্যাপশট প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ সালে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার শিশু ও কিশোর-কিশোরী (০-১৯ বছর বয়সি) এইডসজনিত কারণে মারা গেছে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আরো ৩ লাখ ১০ হাজার। ফলে ১৯ বছরের কম বয়সিদের মধ্যে এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২৭ লাখে উন্নীত হয়েছে।

বিশ্ব এইডস দিবসকে সামনে রেখে ইউনিসেফ সতর্ক করে বলছে, শিশু, কিশোর-কিশোরী ও গর্ভবতী নারীদের এইচআইভি প্রতিরোধ ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে গত তিন বছরে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি। এখনো অনেক অঞ্চলে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আগের পর্যায়ের চিকিৎসা সুবিধা ফিরে আসেনি।

ইউনিসেফের এইচআইভি-এইডস বিষয়ক সহযোগী প্রধান আনুরিতা বেইনস বলেন, ‘এইডসের চিকিৎসা ও প্রতিরোধের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই শিশুরা প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে পিছিয়ে আছে। তবুও গত তিন বছরে এ বিষয়ে যে স্থবিরতা দেখা গেছে, তা নজিরবিহীন। ফলে অনেক কম বয়সি মানুষ নতুন করে অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়েছে।’ প্রতিদিন তিন শতাধিক শিশু ও কিশোর-কিশোরী এইডসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হেরে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি ।

২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী, এইচআইভি আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর মাত্র ৭ শতাংশ শিশু। শিশু ও কিশোরীরা এইডসজনিত কারণে মৃত্যু হয় ১৭ শতাংশ ও নতুন করে আক্রান্ত হয় ২১ শতাংশ। এই অবস্থায় ইউনিসেফ সতর্ক করে বলেছে, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে এইডস নির্মূল করা প্রায় অসম্ভব একটি বিষয় হয়ে উঠছে। এইচআইভি আক্রান্ত শিশুর মোট সংখ্যা কমে গেলেও, শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের আওতার মধ্যে থাকা চিকিৎসা সুবিধার বৈষম্য বাড়ছে। এই বৈষম্য সৃষ্টির পেছনে মূলত করোনা ভাইরাস মহামারি ও অন্যান্য বৈশ্বিক সংকট দায়ী করা হয়েছে। ২০২১ সালে দেখা যায় ৭৫ হাজারেরও বেশি শিশুর শরীরে নতুন সংক্রমণ ঘটেছে, কারণ এ সময় গর্ভবতী নারীদের রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করা যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

Categories