• মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:১১ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
সংবাদ শিরোনাম
শনাক্ত ছাড়ালো ৮ হাজার, মৃত্যু ১০ সংক্রমণ বাড়লে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ : শিক্ষামন্ত্রী এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা ভাবছি না : শিক্ষামন্ত্রী ডিসিদের ২৪ দফা নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন: আইভীর জয় দুই কারণে জাতীয়করণ হচ্ছে ১৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইসি গঠন আইন দ্রুত সংসদে পাস হবে বলে আশা রাষ্ট্রপতির দেশে সংক্রমণের হার ২১ শতাংশ ছুঁইছুঁই করোনায় আরও ১০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬৬৭৬ ভিসির পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় আ.লীগের উমা চৌধুরী পুনরায় মেয়র নির্বাচিত আইভীর জনপ্রিয়তায় নৌকার জয় এক দিনে শনাক্ত ৫ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ৮ বাড়তে পারে শীত, বিভিন্ন জেলায় দেখা দেবে শৈত্যপ্রবাহ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট চলছে

মেরুর বিস্ময় অরোরা

প্রজন্মের আলো / ১৫ শেয়ার
Update : মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১
সংগৃহীত ছবি

অনলাইন ডেস্ক:

মেরুজ্যোতি, মেরুপ্রভা বা অরোরা অস্ট্রালিস (আরোরা উষা) হলো আকাশে একধরণের প্রাকৃতিক আলোর প্রদর্শনী। এগুলো দেখতে অসম্ভব সুন্দর হয়। প্রধানত উঁচু অক্ষাংশের এলাকাগুলোতে অরোরা’র দেখা মেলে।

অরোরা নিয়ে প্রাচীনকালে অনেক উপকথা চালু ছিল। যেমন নর্জ উপকথা অনুসারে আরোরা হলো ঈশ্বরের সৃষ্টি সেতু। আবার কিছু কুসংস্কারচ্ছন্ন মানুষ আছে যারা মনে করেন তাদের পূর্বপুরুষেরা আকাশে নাচানাচি করে তাই আকাশের রঙ বদলে যায়।

সূর্য আমাদের থেকে প্রায় ৯৩ মিলিয়ন মাইল বা ১৪৯৫৯৭৮৭০৭০০ মিটার (প্রায় ১৫০ মিলিয়ন কি.মি.) দূরে অবস্থিত। কিন্তু এর প্রভাব বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত। সৌরঝড়ে চার্জিত কণা (প্লাজমা) মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। পৃথিবীতে এসব কণা পৌছালে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র এবং বায়ুমন্ডল এর সাথে প্রতিক্রিয়া করে। যখন সূর্যের চার্জিত কণাগুলো আমাদের পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের অণু-পরমাণুকে আঘাত করে তখন সেই চার্জিত কণাগুলো বায়ুমন্ডলের অণু-পরমাণুগুলোকে আন্দোলিত করে এবং উজ্জ্বল করে তোলে। পরমাণু আন্দোলিত হওয়ার অর্থ হল এই যে, যেহেতু পরমাণু নিউক্লিয়াস এবং নিউক্লিয়াসকে আবর্তনকৃত ইলেক্ট্রন দ্বারা গঠিত তাই যখন সূর্য থেকে আগত চার্জিত কণা বায়ুমন্ডলের পরমাণুকে আঘাত করে তখন ইলেক্ট্রনগুলো উচ্চ শক্তিস্তরে (নিউক্লিয়াস থেকে আপেক্ষিকভাবে অনেকদূরে) ঘুরতে শুরু করে। তারপর যখন আবার কোনো ইলেক্ট্রন নিম্ন শক্তিস্তরে চলে আসে তখন সেটি ফোটন বা আলোতে পরিণত হয়।

অরোরাতে যা ঘটে তেমনটি ঘটে নিয়নের বাতিতেও। নিয়ন টিউবের মধ্যে নিয়ন গ্যাসের পরমাণুগুলোকে আন্দোলিত করবার জন্য ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ। তাই নিয়নের বাতিগুলো এরকম উচ্চ মানের রঙ্গিন আলো দেয়। আরোরাও ঠিক এভাবে কাজ করে-তবে এটি আরো বড় মাত্রায় হয়। আরোরাগুলো মাঝে মাঝে আলোর পর্দার মতো দেখায়। তবে এরা গোলাকার অথবা সর্পিল বা বাঁকানোও হতে পারে। বেশিরভাগ আরোরাতে সবুজ রঙ এবং গোলাপী রঙ দেখা যায়। তবে অনেকসময় লাল রঙ বা বেগুনী রঙের হতে পারে।

অরোরা সাধারণত দেখা যায় দক্ষিণ ও উত্তরের দেশগুলোতে। কানাডা, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, গ্রীনল্যান্ডের মতো দেশগুলোতে আরোরার দেখা মেলে। মানব ইতিহাস জুড়ে আরোরার রঙ গুলো রহস্যময়। বিভিন্ন মিথোলোজিতে বিভিন্ন কুসংস্কার উল্লেখ করা হয়েছে এই নিয়ে।

তবে বিজ্ঞান বলেঃ আমাদের বায়ুমন্ডলের গ্যাসগুলোই হলো আরোরার বিভিন্ন রঙের কারণ। উদাহরণঃ অরোরার সবুজ রঙের কারণ হলো অক্সিজেন আবার আরোরার লাল এবং নীল রঙের জন্য দায়ী হলো নাইট্রোজেন গ্যাস (২০০৮)।

অরোরা শব্দটির উৎপত্তি সূর্যের রোমান দেবী আরোরার নাম থেকে হয়েছিল , যিনি পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে সূর্য আসার ঘোষণা দিয়ে ভ্রমণ করেছিলেন। প্রাচীন গ্রীক কবিরা ভোরের কথা উল্লেখ করার জন্য রূপক নামটি ব্যবহার করেছিলেন, প্রায়শই অন্ধকার আকাশ জুড়ে রঙের খেলার উল্লেখ করে ( যেমন , গোলাপী-আঙুলযুক্ত ভোর)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১,৬৩২,৭৯৪
সুস্থ
১,৫৫৩,৭৯৫
মৃত্যু
২৮,১৬৪
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৩৩০,২১৩,৮০৩
সুস্থ
মৃত্যু
৫,৫৪১,৬৬৪

Categories