• শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
সংবাদ শিরোনাম
ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল ওমান,যাদের যেতে বাধা নেই ঈদ-গ্রীষ্ম মিলে ১৭ দিনের ছুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ তিন দিন হবে যেসব স্থানে ভারী বর্ষণ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সরকারের সদিচ্ছার প্রমাণ: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আজ শপথ নিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়, টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী পবিত্র ঈদুল আজহা ১৭ জুন ৬০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে কোন খাতে কত বরাদ্দ চতুর্থ ধাপে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন যারা এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সাড়ে ১৪ লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করবে জোটের ওপর ভরসা করতে হচ্ছে মোদিকে সরকারি অফিসের নতুন সময়সূচি ঘোষণা

২২ মে নওগাঁর আম বাজারে আসবে

প্রজন্মের আলো / ৪৪ শেয়ার
Update বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০২৪

এটিএম আলমগীর:

আগামী ২২ মে গুটি আম পাড়ার মধ্য দিয়ে আম নামানো শুরু হবে।  জেলা কৃষি অফিস থেকে আম পাড়ার ক্যালেন্ডার/সময়সূচি নির্ধারণ করেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে- গুটি/স্থানীয় জাতের ২২ মে, গোপালভোগ ৩০ মে, ক্ষিরসাপাত/হিমসাগর ২ জুন, নাক ফজলি ৫ জুন, ল্যাংড়া/হাড়িভাঙ্গা ১০ জনু, আ¤্রপালি ২০ জুন, ফজলি ২৫জুন এবং আশ্বিনা/বারি-৪/বারি-১১/গৌড়মতি/কাটিমন ১০ জুলাই আম পাড়ার ক্যালেন্ডর প্রকাশ করা হয়।

এ বছর ৩৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আম বাগান গড়ে উঠেছে। যা থেকে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টন আম উৎপাদনের আশা। ব্যানানা ম্যাংগো, মিয়াজাকি, কাটিমন, গৌড়মতি, বারি আমচা সহ দেশি-বিদেশ মিলে প্রায় ১৬ জাতের আম চাষ হয়েছে।

জাত ভেদে আম বাগানের পরিমাণ নাক ফজলি ৮৯৮ হেক্টর, ল্যাংড়া ১ হাজার ৬১৫ হেক্টর, ফজলি ১ হাজার ৪০৮ হেক্টর, গোপালভোগ ৬১০ হেক্টর, খিরসাপাত ১ হাজার ৪৭ হেক্টর, বারি-৪ আম ২ হাজার ৪০২ হেক্টর, বারি-১১ আম  ৪২ দশমিক ৫০ হেক্টর, মল্লিকা ৩৭ হেক্টর, কাটিমন ১৫৪ দশমিক ৫০ হেক্টর, গৌড়মতি ১৪৩ দশমিক ২৫ হেক্টর, ভাড়িভাঙা ৪১ দশমিক ৭৫ হেক্টর, ব্যানানা ম্যাংগো ১০৭ দশমিক ৫০ হেক্টর, আশি^না ২ হাজার ৩২২ দশমিক ৫০ হেক্টর, কুমড়াজ¦ালি ১৩ হেক্টর, গুটি/ স্থানীয় ৬০৭ হেক্টর এবং আ¤্রপালি ১৮ হাজার ৪২২ হেক্টর। জেলা যে পরিমাণ আম বাগান রয়েছে তার মধ্যে আম্রপালি ৬০ দশমিক ৮০ শতাংশ।

এ বছরের শুরুতে প্রচন্ড শীত থাকায় ১৫-২০ দিন দেরিতে মুকুল আসে। এছাড়া এ বছর প্রচন্ড খরা ও তাবদাহ বিরাজ করছে। আমের মৌসুমে এ পর্যন্ত দুই বার বৃষ্টি হওয়ায় চাষীদের ব্যাপক উপকার হয়েছে। বরেন্দ্র এলাকা হওয়ায় পানির স্বল্পতা রয়েছে। যেসব বাগান সেচের আওতায় সেগুলো সেচ দেয়া সম্ভব হয়েছে।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন- আম চাষিরা বাগানের পরিচর্চায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবার আম উৎপাদনের পাশাপাশি ভাল দাম পাওয়ার আশা। স্বাদ ও দাম ভাল পাওয়ায় আম্রপালি, বারি ও ব্যানানা জাতের বাগানের পরিমাণ বাড়ছে। রপ্তানি পরিসর বাড়াতে উত্তম কৃষি চর্চার মাধ্যমে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে আমের ফুড প্রসেসিং প্রক্রিয়াজাত করতে কৃষি বিভাগ কাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

Categories