• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
বিজ্ঞাপন / নওগাঁর অনুষ্ঠান
🔴 দোকান ভাড়া  🔴 খুব শহজ শর্তে পাশাপশি ৩ টি দোকান ভাড়া দেয়া হবে- (সাবেক পেটুকদের আস্তানা), আজই যোগাযোগ করুন: ০১৭১০ ৫০৭০৬৭ , উকিলপাড়া (ব্রিজ সংলগ্ন) বিজিবি ব্রিজের পশ্চিম পাশে, মেইন রোড, প্রজন্মের আলো মোড়,নওগাঁ। 🔴 প্রজন্ম কালেকশন এন্ড ফ্যাশন 🔴 এখানে ওয়ান- পিচ,টু- পিচ,থ্রি-পিচ,গেন্জি, আন্ডার গার্মেন্টস, প্যান্ট -পান্জাবি,বিছানার চাদর, অর্নামেন্ট  খুচরা ও পাইকারি বিক্রয় করা হয়। প্রো: তাহেরা রহমান ০১৭১০ ৫০৭০৬৭ , উকিলপাড়া (ব্রিজ সংলগ্ন) প্রজন্মের আলো মোড়,নওগাঁ। 🔴 অফিস, কোচিং সেন্টার ও শোরুম উপযোগী ১ হাজার বর্গ ফুট স্পেস ভাড়া দেওয়া হবে। স্থান: ডায়মন্ড হাউস ২য় তলা উকিলপাড়া (ব্রীজ সংলগ্ন), প্রজন্মের আলো মোড়, নওগাঁ -- 01710-507067 🔴

নওগাঁয় পুলিশ সুপারের ঐকান্তিক প্রচেস্টায় ৪০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার, শীর্ষ দুই মাদক সম্রাট গ্রেফতার

প্রজন্মের আলো / ৩ শেয়ার
Update বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

শাহরিয়ার শাওন :
নওগাঁর নিয়ামতপুরে পুলিশ সুপারের ঐকান্তিক প্রচেস্টায় ৪০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধারসহ দুই শীর্ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।
সোমবার ভোররাতে এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঐল গ্রামের একটি মাটির বাড়ি থেকে ৪০ লাখ টাকা মূল্যের ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেন।
তুলার বাঐল গ্রামের মোঃ এজামুলের ছেলে মোঃ হামেদুল ইসলাম (৩৫) এবং মৃত আজমুদ্দিনের ছেলে মোঃ রশিদকে (৪৪)।
​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৬ জুন পুলিশ সুপারের কাছে সংবাদ আসে যে পাড়ইল ইউনিয়নে ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি গভীর তদন্তের জন্য  অফিসার ইনচার্জ নিয়ামতপুর থানকে নির্দেশনা প্রদান করেন । তদন্তের ধারাবাহিকতায় ৭ জুন  রাতে  হামেদুল নামে ব্যক্তিকে আটক করা হয়। হামিদুলকে জিজ্ঞাসাবাদে কথাবার্তা সন্দেহ হলে পুলিশ সুপারের পরামর্শে তার বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সূত্র ধরে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ হলে সে নিজেকে মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন
​হামেদুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার, নওগাঁর দিক-নির্দেশনায় ও ঐকান্তিক প্রচেস্টায় নিয়ামতপুর থানার একটি বিশেষ  টিম সোমবার রাত ১২ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত তুলার বাঐল গ্রামের একটি দোতলা মাটির ভবনে অভিযান চালায়। দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার এই অভিযানে বাড়িটি থেকে চমৎকার প্যাকেটে মোড়ানো ৯০ কেজি শুকনা গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এসময় ঐ গ্রামের গ্রামের  এজামুলের ছেলে  হামেদুল ইসলাম (৩৫) এবং মৃত আজমুদ্দিনের ছেলে  রশিদকে (৪৪) গ্রেফতার করা হয়।
​আটকের পরে পুলিশ সুপার  জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এবং অন্যান্য স্থান থেকে হাইস মাইক্রোবাস কিংবা ট্রাকে করে এই মাদকের চালান নিয়ে আসত। হামেদুলের দোতলা মাটির বাড়িটি মূলত মাদকের ‘সেফ হাউস’ বা গোডাউন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এখান থেকে নওগাঁ ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা গাঁজা সরবরাহ করা হতো। মাদক ব্যবসার লভ্যাংশ ছাড়াও প্রতি ৩০ কেজি গাঁজা এই গোডাউনে রাখার জন্য বাড়ির মালিক হামেদুল ৫ হাজার টাকা করে পেত। এই চক্রের সাথে আরও বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী জড়িত রয়েছে । জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটককৃতদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
​নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নিয়ামতপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। এই চক্রের পেছনের মূল হোতাদের খুঁজে বের করতে পুলিশ গভীরভাবে তদন্ত করছে। এরং মাদকের বিরুদ্ধে নওগাঁ জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে চলছে। জেলাকে মাদকমুক্ত করতে আগামী দিনগুলোতে পুলিশের এই কঠোর অভিযান আরও জোরদার করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

Categories