• সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বিজ্ঞাপন / নওগাঁর অনুষ্ঠান
🔴 দোকান ভাড়া  🔴 খুব শহজ শর্তে পাশাপশি ৩ টি দোকান ভাড়া দেয়া হবে- (সাবেক পেটুকদের আস্তানা), আজই যোগাযোগ করুন: ০১৭১০ ৫০৭০৬৭ , উকিলপাড়া (ব্রিজ সংলগ্ন) বিজিবি ব্রিজের পশ্চিম পাশে, মেইন রোড, প্রজন্মের আলো মোড়,নওগাঁ। 🔴 প্রজন্ম কালেকশন এন্ড ফ্যাশন 🔴 এখানে ওয়ান- পিচ,টু- পিচ,থ্রি-পিচ,গেন্জি, আন্ডার গার্মেন্টস, প্যান্ট -পান্জাবি,বিছানার চাদর, অর্নামেন্ট  খুচরা ও পাইকারি বিক্রয় করা হয়। প্রো: তাহেরা রহমান ০১৭১০ ৫০৭০৬৭ , উকিলপাড়া (ব্রিজ সংলগ্ন) প্রজন্মের আলো মোড়,নওগাঁ। 🔴 অফিস, কোচিং সেন্টার ও শোরুম উপযোগী ১ হাজার বর্গ ফুট স্পেস ভাড়া দেওয়া হবে। স্থান: ডায়মন্ড হাউস ২য় তলা উকিলপাড়া (ব্রীজ সংলগ্ন), প্রজন্মের আলো মোড়, নওগাঁ -- 01710-507067 🔴

ন্যায্য বাজারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে স্বস্তি ফেরাব: নির্বাচনী ভাষণে নাহিদ

প্রজন্মের আলো / ১৩২ শেয়ার
Update রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন নাহিদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক:

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো- প্রতিটি নাগরিকের জন্য ন্যায্য মূল্যে ভোগ্যপণ্য নিশ্চিত করা। লাগামহীন দ্রব্যমূল্যে মানুষ যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন সরকারের ভূমিকা হবে সক্রিয়ভাবে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের নিত্যপণ্যের মূল্য সবসময়ই সর্বাধিক। এর কারণ, এদেশে ব্যবসায়ী, রাজনীতিক ও আমলাদের একটি দুর্নীতিগ্রস্ত চক্র বাজার নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে প্রচুর অর্থ নিজেদের পকেটস্থ করে। আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেলে, দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া নির্বাচনী ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

এনসিপি নেতা বলেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী ব্যবসায়ী, রাজনীতিক ও আমলাদের সিন্ডিকেট ভাঙা হবে। এমন দুষ্টু চক্রের বিরুদ্ধে আইন করে তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে। কৃত্রিমভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ, কারসাজি ও অবৈধ মজুতদারি প্রমাণিত হলে অপরাধীরা কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে।

তিনি বলেন, কৃষকরা যাতে তাদের শস্য ও কৃষিপণ্য কাউকে কোনো চাঁদা বা তোলা না দিয়ে বিক্রি করতে পারে এবং পাইকারি ব্যবসায়ীদেরকেও যেন কাউকে কোথাও এক টাকাও না দিতে হয়, সরকার তা নিশ্চিত করবে। কঠোরভাবে এই পদক্ষেপগুলো নিশ্চিত করা গেলে, বাজারে কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব।

নাহিদ আরো বলেন, চাঁদাবাজ ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে অযৌক্তিকভাবে সারাদেশে সাধারণ মানুষকে পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য দিতে হয়। সরকার ন্যায্যমূল্যের বাজার ব্যবস্থা এবং ওএমএস কর্মসূচি বিস্তৃত করবে। যাতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ সহজে সুলভে পণ্য কিনতে পারে। প্রতিবেশী বৃহৎ দেশটির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে একাধিক বিকল্প উৎস থেকে আমদানি বাড়ানো হবে যাতে কেউ আমাদেরকে পণ্যবন্দি করে বিপদে ফেলতে না পারে।

এসময় তিনি বলেন, বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে নতুন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা চিহ্নিত করে তাদের সহজলভ্য ঋণ ও সরকারি সমর্থন দেওয়া হবে। কাঁচাপণ্য সংরক্ষণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ, সরবরাহ ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নের জন্য ডিজিটাল বাজার ব্যবস্থা এবং দ্রুত পরিবহন ও এর ব্যয় ন্যায়সঙ্গত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মৌসুমি পণ্যের জন্য সরকারিভাবে আগাম পরিকল্পনা করে মাল কিনে তা মজুত করা হবে। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট— একটি ন্যায্য, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব বাজারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

Categories