• শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত করিডোরের কথা আলোচনা হয়েছে: মাহদী আমিন রায়পুরে মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা: আহত কিশোরীরও মৃত্যু পবিত্র আশুরা আজ করের আওতায় আসছে মুদি দোকান, বিউটি পার্লারসহ ১৬টি খাত: সংসদে অর্থমন্ত্রী তিন মাসের মধ্যে প্রাথমিকে ৫০ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ :শিক্ষামন্ত্রী মসজিদে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করলো আপন বড় ভাই প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫-১৭টি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে: পররাষ্ট্র সচিব হরমুজ প্রণালি সচল হওয়ায় বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম দেশের প্রধান রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন
বিজ্ঞাপন / নওগাঁর অনুষ্ঠান
🔴 দোকান ভাড়া  🔴 খুব শহজ শর্তে পাশাপশি ৩ টি দোকান ভাড়া দেয়া হবে- (সাবেক পেটুকদের আস্তানা), আজই যোগাযোগ করুন: ০১৭১০ ৫০৭০৬৭ , উকিলপাড়া (ব্রিজ সংলগ্ন) বিজিবি ব্রিজের পশ্চিম পাশে, মেইন রোড, প্রজন্মের আলো মোড়,নওগাঁ। 🔴 প্রজন্ম কালেকশন এন্ড ফ্যাশন 🔴 এখানে ওয়ান- পিচ,টু- পিচ,থ্রি-পিচ,গেন্জি, আন্ডার গার্মেন্টস, প্যান্ট -পান্জাবি,বিছানার চাদর, অর্নামেন্ট  খুচরা ও পাইকারি বিক্রয় করা হয়। প্রো: তাহেরা রহমান ০১৭১০ ৫০৭০৬৭ , উকিলপাড়া (ব্রিজ সংলগ্ন) প্রজন্মের আলো মোড়,নওগাঁ। 🔴 অফিস, কোচিং সেন্টার ও শোরুম উপযোগী ১ হাজার বর্গ ফুট স্পেস ভাড়া দেওয়া হবে। স্থান: ডায়মন্ড হাউস ২য় তলা উকিলপাড়া (ব্রীজ সংলগ্ন), প্রজন্মের আলো মোড়, নওগাঁ -- 01710-507067 🔴

সন্তান মাদকাসক্ত, কী করবেন মা বাবা

Tonmoy / ৩১০ শেয়ার
Update বুধবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২১

আবু রেজা:

বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা তরুণ-তরুণীদের মাদকাসক্তিতে জড়িয়ে পড়া। মাদকাসক্ত হওয়ার ফলে বাবা-মার সাথে সম্পর্ক নষ্ট হচ্ছে প্রতিনিয়ত এবং এই আসক্তি কাটিয়ে উঠার জন্য বাবা-মার পাশে থাকা অতীব জরুরি।

বাংলাদেশে ১৮ বছর বয়সী প্রায় ২৫ লাখ কিশোর যারা মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। সন্তানদের মাদকাশক্তি থেকে ফেরানোর জন্য বাবা-মাকে মূখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রথমে আপনাকে জানতে হবে কিশোর-কিশোরীরা মাদক কেন গ্রহন করছে?

১. নানা কারণে তারা মাদকসেবন করে থাকে। প্রথমে বন্ধু-বান্ধবের দ্বারাই এই মাদক এর সাথে পরিচয় ঘটে যা বাংলাদেশের এক প্রেক্ষাপটে এক জরিপে দেখানো হয়েছে। চলতি বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান-সংস্কৃতি পরিষদ আয়োজিত মাদকাসক্তি সমস্যায় বাংলাদেশ শীর্ষক এক সেমিনারে বলা হয়, স্কুল-কলেজ পর্যায়ে শতকরা ৬ ভাগ ছাত্র মাদকদ্রব্য সেবন করে যা বন্ধুদের প্ররোচনার ফলে বা কৌতুহলবশত। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাদকের সাথে প্রথম পরিচয় ঘটে সিগারেটের মাধ্যমে। কারণ এটি সহজলভ্য।

২. অনিরাপত্তাবোধ, ট্রেন্ড বা যুগের সাথে তাল মিলাতে অথবা বন্ধুদের সামনে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য ধূমপান করেন। অনেকে যা বয়সের দোষ বলে আখ্যায়িত করেন।

৩. পরিবারে অন্য কোনো সদস্য মাদকসেবন করলে পরবর্তিতে তা সন্তানের উপরও প্রভাব ফেলে। সন্তান তখন মাদক গ্রহণে উদ্বুদ্ধ হয়।

৪. মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি। বাবা-মার ঝগড়া বা শিশুদের অনিরাপত্তাবোধ থেকে হতাশা, দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশন এসব কারণে মাদকসেবন করে।

৫. অতিরিক্ত আবেগপ্রবনতা থেকেও অনেক মাদক গ্রহণ করে।

৬. যে কোনো দুর্ঘটনা বা ট্রমাটিক ঘটনা, নির্যাতনের শিকার হলে।

৭. ধোকা, বিশ্বাসঘাতকতার মতো ঘটনা থেকে অনেকে মাদক গ্রহন করে।

কী করবেন মা বাবা

এমন অবস্থায় প্রতিটি বাবা-মার উচিত তাদের সন্তানদের সাথে খোলামেলা আলোচনা করা এবং কেন সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে তার কারণ খুঁজে বের করা। তাদেরকে আশ্বস্ত করা আপনি তাদের বন্ধু যাতে করে সে আপনাকে ভরসা করে তার মনের কথাগুলো জানাতে পারে নির্ভয়ে। কখনোই ভেবে নিবেন না যে, একবার কথা বলার মধ্যে দিয়েই সব ঠিক হয়ে যাবে এবং আপনার কথা অক্ষরে অক্ষরে শুনবে। আপনাকে সময় দিতে হবে এবং সময় দিতে হবে। এ ধরনের স্পর্শকাতর ইস্যুতে বার বার সন্তানকে মাদক নেয়া শুরু করবে।

মাদকের কুফল বা ভয়াবহ সম্পর্কে তাকে জানান, কিভাবে তার স্বাভাবিক জীবনকে ক্ষতি করছে তা উপলব্ধি করানো এবং তাদের মনে কোনো জেদ সৃষ্টি না করা। কোনো স্পর্শকাতর বিষয়ে বার বার মনে না করিয়ে দিয়ে সেখান থেকে কিভাবে বের হয়ে আসা যায় তা শিখানো। সন্তানের রোল মডেল হয়ে উঠুন যাতে সে আপনাকে বিশ্বাস করে।

এর বাইরে আপনি যা খেয়াল করবেন, আপনার সন্তান কাদের সাথে মিশে, তাদের বন্ধু-বান্ধব চিনে রাখুন। তার মনের খবর রাখুন যাতে সে অনিরাপওাবোধ না থাকে।

কীভাবে বুঝবেন সন্তান মাদকাসক্ত কিনা

১. সে যদি আগ্রাসী আচরণ করে।

২. চুপচাপ থাকে বা নিজেকে সবসময় গুটিয়ে রাখে।

৩. খাওয়া ও ঘুমের তালিকা পরিবর্তন।

৪. শারীরিক গঠন হঠাৎ পরিবর্তন।

৫. মেজাজ এর তারতম্য ঘটে।

৬. হঠাৎ কোন কিছুর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে অদ্ভুত আচরণ করা।

এসব দেখলে সর্তকতার সাথে আগে যাচাই করুন তারপর পদক্ষেপ নিবেন। মনে রাখবেন এই ভয়াবহ নেশার হাত থেকে তখনই আপনার সন্তান বেড়িয়ে আসবে যখন আপনি তার  সামনে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিবেন। নিশ্চিত করুন সে যাতে আপনাকে ভরসা করে এবং আপনি তাকে সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর জীবন উপহার দিবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

Categories