• শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
বিজ্ঞাপন / নওগাঁর অনুষ্ঠান
🔴 দোকান ভাড়া  🔴 খুব শহজ শর্তে পাশাপশি ৩ টি দোকান ভাড়া দেয়া হবে- (সাবেক পেটুকদের আস্তানা), আজই যোগাযোগ করুন: ০১৭১০ ৫০৭০৬৭ , উকিলপাড়া (ব্রিজ সংলগ্ন) বিজিবি ব্রিজের পশ্চিম পাশে, মেইন রোড, প্রজন্মের আলো মোড়,নওগাঁ। 🔴 প্রজন্ম কালেকশন এন্ড ফ্যাশন 🔴 এখানে ওয়ান- পিচ,টু- পিচ,থ্রি-পিচ,গেন্জি, আন্ডার গার্মেন্টস, প্যান্ট -পান্জাবি,বিছানার চাদর, অর্নামেন্ট  খুচরা ও পাইকারি বিক্রয় করা হয়। প্রো: তাহেরা রহমান ০১৭১০ ৫০৭০৬৭ , উকিলপাড়া (ব্রিজ সংলগ্ন) প্রজন্মের আলো মোড়,নওগাঁ। 🔴 অফিস, কোচিং সেন্টার ও শোরুম উপযোগী ১ হাজার বর্গ ফুট স্পেস ভাড়া দেওয়া হবে। স্থান: ডায়মন্ড হাউস ২য় তলা উকিলপাড়া (ব্রীজ সংলগ্ন), প্রজন্মের আলো মোড়, নওগাঁ -- 01710-507067 🔴

বাটা ও বিএটিটিপি’র বাজেট প্রতিক্রিয়া

পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো বৈধকরণ এবং তামাকজাত দ্রব্যের সামান্য মূল্য বৃদ্ধি জনস্বাস্থ্যেকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে

প্রজন্মের আলো / ৪ শেয়ার
Update শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
প্রতিকী ছবি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:

প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকজাত দ্রব্যের দাম কাংখিত পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়নি বরং নতুন দুই ধরণের তামাক পণ্যকে করের আওতায় এনে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। এভাবে নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকোর (ই-সিগারেট, ভেপ ইত্যাদি) বৈধকরণ এবং তামাকজাত দ্রব্যের সামান্য মূল্য বৃদ্ধি জনস্বাস্থ্যকে মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্ত করবে। বাজেট প্রতিক্রিয়া জানাতে   বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলেছে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) ও তামাক কর বিষয়ক নলেজ হাব বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রথমে আইন থেকে নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো পণ্য নিষিদ্ধের বিধান বাদ দেওয়া হয়েছে। তারপর জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ ও পরামর্শ উপেক্ষা করে করের আওতায় এনে এসব পণ্যকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতিসহ দেশের কোটি কিশোর-তরুণ নতুন নেশার ফাঁদে আটকে পড়বে। শুধুমাত্র রাজস্ব আয় বিবেচনায় নিয়ে এমন ক্ষতিকর নেশাকে বৈধতা দেওয়ায় মানুষ হতাশ হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় তামাকজাত দ্রব্যে অ্যাডভেলরেমের পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট করারোপের দাবি জানিয়েছিলেন দেশের জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু সরকার কেবল সিগারেটের যৎসামান্য মূল্য বাড়িয়েছে। সিগারেটের ১০ শলাকার মূল্য নিম্ন স্তরে ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা, মধ্যম স্তরে ৮০ টাকা থেকে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরে ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং অতিউচ্চ স্তরে ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা করা হয়েছে। বাজারে সিগারেটের প্রায় ৭৫ শতাংশ বিক্রি হয় নিম্ন স্তরের সিগারেট। এই স্তরের মূল্য মাত্র ২ টাকা বা ৩.৩ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে। তাই সামান্য মূল্য বৃদ্ধি নিম্ন স্তরের সিগারেটকে আরো সহজলভ্য করবে।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনা ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর সরকার তামাকজাত দ্রব্যের মূল্য ও কর হার বৃদ্ধি করে থাকে। কিন্তু নিম্ন স্তরের সিগারেটের নামমাত্র মূল্য বৃদ্ধিতে ধূমপানের হার বৃদ্ধি পাবে পাশাপাশি অন্যান্য স্তরের সিগারেটের ভোক্তারা নিম্ন স্তরের সিগারেট সেবন শুরু করবে। ফলে ধূমপানের প্রবণতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে। বহুল ব্যবহৃত সিগারেটের সামান্য মূল্য বৃদ্ধি সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যকেও পূরণ করবে না বরং সুনির্দিষ্ট কর আরোপ না করায় তামাক কোম্পানির মুনাফা অযাচিতভাবে বৃদ্ধি পাবে। একইসঙ্গে বাজেট প্রস্তাবনা থেকে ‘ও তদুর্ধ্ব’ শব্দটি বাতিল না করায় মূল্য কারসাজির মাধ্যমে তামাক কোম্পানির রাজস্ব ফাঁকি ও মুনাফা বৃদ্ধির সুযোগ থেকে যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিম্ন স্তরের সিগারেটের নামমাত্র মূল্য বৃদ্ধি, ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচকে বৈধতা প্রদান, বিড়ি, জর্দা ও গুলের মূল্য বৃদ্ধি না করা জনস্বাস্থ্যে প্রশ্নে আমাদের পেছনের দিকে চলার উদাহারণ হয়ে থাকবে। এসব সিদ্ধান্ত অত্যন্ত হতাশাজনক এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রশ্নে নেতিবাচক।

তবে সিগারেটের ট্যাক্স স্ট্যাম্পে কিউআর কোড ব্যবহার, ডিজিটাল ট্রাক ও ট্রেস ব্যবস্থার প্রচলণ, সিগারেট ও বিড়ির কাগজের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ কয়েকটি প্রস্তাবের প্রশংসা করে তারা বলেন, এইসব পদক্ষেপ সিগারেটের অবৈধ বানিজ্য প্রতিরোধের মাধ্যমে কর ফাঁকি প্রতিরোধ ও সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে কার্যকর অবদান রাখবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তামাকজাত দ্রব্যের করারোপে অ্যাডভেলোরেম পদ্ধতির পাশাপাশি ‘সুনির্দিষ্ট কর’ আরোপ করা হলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি, তামাকের ব্যবহার হ্রাস ও কর ফাঁকি প্রতিরোধেও কার্যকর অবদান রাখতো এবং নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো বৈধতা দেওয়া না হলে কোটি তরুণ সুরক্ষিত থাকতো। তামাকের ক্ষেত্রে এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে জনস্বাস্থ্যকে উপেক্ষা করা হয়েছে। এজন্য তারা এনবিআরকে তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের কর প্রস্তাব অনুসারে বাজেট প্রস্তাব সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

Categories