সংবাদদাতা:
নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় ১০ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শনিবার রাতে মামলা দায়েরের পর প্রধান আসামি জাহিদ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার জাহিদ মোল্লা (২০) উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের গোয়ালবাড়ি গ্রামের জামাল মোল্লার ছেলে। মামলায় ওই ছাত্রীর এক বান্ধবীসহ মোট তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাহিদ মোল্লাসহ কয়েকজন ওই কিশোরীর এক বান্ধবীর বাড়িতে যায়। পরে ওই বান্ধবীর মাধ্যমেই মেয়েটিকে সেখানে ডেকে নেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়, মেয়েটিকে বান্ধবীর শয়নঘরে ঠেলে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর জাহিদ মোল্লা তাকে ধ,র্ষণ করে। একপর্যায়ে মেয়েটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
ঘটনার কথা পরিবারকে জানানো হলে স্বজনেরা এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে সে সেখানেই চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় মেয়েটির বড় ভাই বাদী হয়ে শনিবার রাতে আত্রাই থানায় মামলা করেন। মামলার পরপরই রাতেই অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি জাহিদ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহাবুব আলম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। রাতেই প্রধান আসামি জাহিদকে গ্রেপ্তার করে রোববার আদালতে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণের শিকার কিশোরী বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িত অন্যদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।