• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞাপন / নওগাঁর অনুষ্ঠান
🔴 দোকান ভাড়া  🔴 খুব শহজ শর্তে পাশাপশি ৩ টি দোকান ভাড়া দেয়া হবে- (সাবেক পেটুকদের আস্তানা), আজই যোগাযোগ করুন: ০১৭১০ ৫০৭০৬৭ , উকিলপাড়া (ব্রিজ সংলগ্ন) বিজিবি ব্রিজের পশ্চিম পাশে, মেইন রোড, প্রজন্মের আলো মোড়,নওগাঁ। 🔴 প্রজন্ম কালেকশন এন্ড ফ্যাশন 🔴 এখানে ওয়ান- পিচ,টু- পিচ,থ্রি-পিচ,গেন্জি, আন্ডার গার্মেন্টস, প্যান্ট -পান্জাবি,বিছানার চাদর, অর্নামেন্ট  খুচরা ও পাইকারি বিক্রয় করা হয়। প্রো: তাহেরা রহমান ০১৭১০ ৫০৭০৬৭ , উকিলপাড়া (ব্রিজ সংলগ্ন) প্রজন্মের আলো মোড়,নওগাঁ। 🔴 অফিস, কোচিং সেন্টার ও শোরুম উপযোগী ১ হাজার বর্গ ফুট স্পেস ভাড়া দেওয়া হবে। স্থান: ডায়মন্ড হাউস ২য় তলা উকিলপাড়া (ব্রীজ সংলগ্ন), প্রজন্মের আলো মোড়, নওগাঁ -- 01710-507067 🔴

আত্রাইয়ে নিজ উদ্যোগে উন্মুক্ত জলাশয়ে ২ মেট্রিক টন তেলাপিয়ার পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধান শিক্ষক

প্রজন্মের আলো / ১ শেয়ার
Update শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

খালেক হাসান:

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি ও দেশীয় আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন দ্বীপচাঁদপুর আর এম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সফল মৎস্য চাষি মো. আব্দুল জলিল। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে বিলসৌঁতি বিল, কচুয়া বিল ও গজমত খালির উন্মুক্ত জলাশয়ে ২ মেট্রিক টন (প্রায় ৫০ মণ) মনোসেক্স তেলাপিয়া মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল ৯টায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, মৎস্যজীবী ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে পোনাগুলো অবমুক্ত করা হয়।

জানা গেছে, আব্দুল জলিলের নিজস্ব পুকুরে উৎপাদিত মনোসেক্স তেলাপিয়ার পোনা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি না করে এলাকার মানুষের কল্যাণ ও জলাশয়ের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের কথা বিবেচনা করে তিনি উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেন।

প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল জলিল বলেন, “শিক্ষকতার পাশাপাশি মৎস্য চাষ আমার একটি প্রিয় শখ। এ বছর আমার পুকুরে প্রচুর পরিমাণে তেলাপিয়ার পোনা উৎপাদিত হয়েছে। বাজারে বিক্রি করলে লাভবান হতে পারতাম, কিন্তু সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে পোনাগুলো উন্মুক্ত জলাশয়ে ছেড়ে দিয়েছি। এগুলো বড় হলে এলাকার দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ মাছ ধরে আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পারবেন।”

বিশিষ্ট মৎস্য চাষি ও সমাজসেবক মো. আসাদুজ্জামান টফি বলেন, “বর্তমান বাজারে ২ মেট্রিক টন পোনার মূল্য অনেক। এত বড় অঙ্কের লাভের কথা চিন্তা না করে জনকল্যাণে পোনা অবমুক্ত করা সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।”

স্থানীয় বাসিন্দা মো. হাজ্জাস হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে এ সময়ে পোনা অবমুক্ত করায় বিলের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি পাবে। তবে অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে যাতে মাছ নিধন না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন ও স্থানীয়দের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এ ধরনের ব্যক্তিগত উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি জানান, পোনাগুলো সংরক্ষণে মৎস্য বিভাগ নিয়মিত তদারকি করবে এবং অবৈধভাবে মাছ শিকার রোধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের মতে, এই উদ্যোগের ফলে বিলসৌঁতি বিল, কচুয়া বিল ও গজমত খালির আশপাশের কয়েক হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন। পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার এই দৃষ্টান্ত দেশের মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

Categories