ডেস্ক রিপোর্ট:
আওয়ামী যুবলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে। শনিবার (৭ আগস্ট) রাতে যুব লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা মিডিয়াকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
জানা গেছে, শরীয়তপুরের পালং থানা পুলিশের ওসি আক্তার হোসেন ৫ আগস্ট শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানসহ দলীয় শ্লোগান দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়লে যুবলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ভিডিওবার্তায় এসে ওই স্লোগান সম্পর্কে নেতিবাচক কথা বলেন।
শরীয়তপুরের পালং মডেল থানার ওসি আক্তার হোসেনের সমালোচনা করতে গিয়ে আলোচিত-সমালোচিত আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন গত শুক্রবার নিজ ফেসবুক থেকে লাইভে আসেন।
সুমন বলেন, “আপনারা জানেন যে গতকালকে (৫ আগস্ট) শেখ কামাল সাহেবের জন্মদিনে শরীয়তপুরের পালং থানার ওসি আক্তার হোসেন আওয়ামী লীগের দলীয় স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এই জিনিসটা দেখার পর আমার কাছে মনে হয়েছে দু-একটা কথা বলা দরকার।
সুমন বলেন, ‘আপনারা একটা জিনিস খেয়াল করে দেখেন যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে স্লোগান দেওয়ার মানুষ কী এতই কম যে একজন ওসি সাহেবের এই স্লোগান দিতে হবে।’
এ নিয়েও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ নানা মহলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাকে বহিষ্কারের দাবি জানানো হয়। এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার (৭ আগস্ট) রাতে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের নির্দেশে ব্যারিস্টার সুমনকে সংগঠনটির আইন বিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়।
তিনি জানান, সংগঠনবিরোধী এ ধরনের কর্মকাণ্ড সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করায় সংগঠন হিসেবে যুবলীগের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। তাই যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নির্দেশে সৈয়দ সায়েদুল সুমনকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অব্যাহতি বিষয়টি ইমেইলের মাধ্যমে তাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত শরীয়তপুরের পালং থানার ওসি আক্তার হোসেন রাজধানীর কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন বলে জানা গেছে।