• বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বিজ্ঞাপন / নওগাঁর অনুষ্ঠান
🔴 দোকান ভাড়া  🔴 খুব শহজ শর্তে পাশাপশি ৩ টি দোকান ভাড়া দেয়া হবে- (সাবেক পেটুকদের আস্তানা), আজই যোগাযোগ করুন: ০১৭১০ ৫০৭০৬৭ , উকিলপাড়া (ব্রিজ সংলগ্ন) বিজিবি ব্রিজের পশ্চিম পাশে, মেইন রোড, প্রজন্মের আলো মোড়,নওগাঁ। 🔴 প্রজন্ম কালেকশন এন্ড ফ্যাশন 🔴 এখানে ওয়ান- পিচ,টু- পিচ,থ্রি-পিচ,গেন্জি, আন্ডার গার্মেন্টস, প্যান্ট -পান্জাবি,বিছানার চাদর, অর্নামেন্ট  খুচরা ও পাইকারি বিক্রয় করা হয়। প্রো: তাহেরা রহমান ০১৭১০ ৫০৭০৬৭ , উকিলপাড়া (ব্রিজ সংলগ্ন) প্রজন্মের আলো মোড়,নওগাঁ। 🔴 অফিস, কোচিং সেন্টার ও শোরুম উপযোগী ১ হাজার বর্গ ফুট স্পেস ভাড়া দেওয়া হবে। স্থান: ডায়মন্ড হাউস ২য় তলা উকিলপাড়া (ব্রীজ সংলগ্ন), প্রজন্মের আলো মোড়, নওগাঁ -- 01710-507067 🔴

ড. কামাল হোসেনই গণফোরামের সভাপতি

প্রজন্মের আলো / ৪৪০ শেয়ার
Update শনিবার, ১২ মার্চ, ২০২২
ছবি সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক:

ড. কামাল হোসেনকেই সভাপতি করে ৪২ সদস্য বিশিষ্টি গণফোরামের একাংশের নতুন সাবজেক্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ড. কামালের নেতৃত্বাধীন গণফোরামের অংশের বিশেষ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

কাউন্সিলে ড. কামালকে গণফোরামের নতুন সভাপতি হিসেবে তার নাম প্রস্তাব করা হয়। পরে ফোরামের সদস্যরা এই প্রস্তাবে সমর্থন জানালে ড. কামাল হোসেনকে গণফোরামের সভাপতি করে নাম ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলে গণফোরামের সভাপতি চূড়ান্ত করার পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির অন্য সদস্যদের নির্বাচিত করতে ৪২ সদস্যের একটি সাবজেক্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি আলোচনার মাধ্যমে কমিটির সদস্য বাছাইয়ে কাজ করবে।

সকালে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরামের একাংশ কাউন্সিল শুরু করে করার আগে মোস্তফা মোহসীন মন্টুর নেতৃত্বাধীন অংশের নেতাকর্মীরা হামলা করার কাউন্সিলে হামলা চালায়। এতে কামাল হোসেনের অংশের নির্বাহী সভাপতি মোকাব্বির খান এমপিসহ প্রায় ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

কাউন্সিলের চেয়ার ও টেবিল ভাংচুর করা হয় এবং মোস্তফা মোহসীন মন্টুর নেতৃত্বাধীন গণফোরামের নেতা কর্মীরা কাউন্সিলের ব্যানারও নিয়ে যান। পরে পুলিশ এসে একপক্ষকে জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে বের করে দেয়। এরপর ব্যানার ছাড়াই কাউন্সিল শুরু হয়।

শনিবার সকাল থেকেই গণফোরামের কাউন্সিলকে ঘিরে দলটির বিবদমান দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো। এর একটি অংশ জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে কাউন্সিলের আয়োজন করে। আর মোস্তফা মোহসীন মন্টুর নেতৃত্বাধীন অপর অংশ প্রেসক্লাবের সামনে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধনের আয়োজন করে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল সোয়া ১০টার দিকে ড. কামাল হোসেনের অংশের গণফোরাম কাউন্সিলের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার সময়ে অপর অংশে নেতাকর্মীরা প্রেসক্লাবের ভিতরে ঢুকে কাউন্সিলে হামলা করে। তারা চেয়ার ও টেবিল ভাংচুরের পাশাপাশি কাউন্সিলে আগত নেতাকর্মীদের উপরও হামলা করেন।

এসময়ে হামলাকারীরা বলেন, মেকাব্বির খানসহ এই অংশের নেতাকর্মীরা সরকারের দালাল। তারা সরকারের কাছ থেকে টাকা খেয়ে গণফোরামকে বিভক্ত করেছে। এসময়ে তারা মোকাব্বির খানকে দাওয়া দিয়ে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেন। তাকে রক্ষার জন্য যারা এগিয়ে আসেন তাদেরকেও পেটানো হয়। হামলার সময়ে মন্টুর অংশের নেতা অ্যাডভোকেট মোহসীন রশীদকে দেখা গেছে।

তবে ঘটনার উভয় অংশের সিনিয়র নেতা ড. কামাল হোসেন, মোস্তফা মোহসীন মন্টু ও সুব্রত চৌধুরী কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি ড. কামাল হোসেন কাউন্সিলেও আসেননি।

হামলার বিষয়ে মোকাব্বির খান বলেন, তারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কাউন্সিলের আয়োজন করেছেন। এটা পূর্ব নির্ধারিত কর্মসুচি। কিন্তু কিছু দুস্কৃতকারী কাউন্সিলে হামলা করে আমাকেসহ আরও অনেককে আহত করেছে। এটা গণতন্ত্রের উপর হামলা। গণফোরাম থেকে বহিস্কৃতরা এই হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে গত ৩ ডিসেম্বর মোস্তফা মোহসীন নেতৃত্বে গণফোরামের এক অংশের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠান হয়। এর মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই ভাগ হয়ে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরাম। এদিন কামাল হোসেনের বাইরে অন্য অংশের সভাপতি হিসেবে মোস্তফা মোহসীন মন্টুর নাম ঘোষণা করা হয় এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন গণফোরামের আরেক নেতা সুব্রত চৌধুরী। এতে ১৫৭ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

Categories